অস্ত্রের তীব্র ঘাটতি, উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর নির্দেশ পেন্টাগনের

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপাদন ও সরবরাহ দ্রুত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ এক স্মারকে প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ২১ দিনের মধ্যে দ্রুততম সময়ে অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহের পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্মারকে ফেইনবার্গ স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া এখন আর গ্রহণযোগ্য নয়। পেন্টাগনের এই তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো প্যাট্রিয়ট ও থাড (টার্মিনাল হাই অ্যালটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স) ইন্টারসেপ্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত পূরণ করা। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ২,২০০টি থাকলেও তা কমে বর্তমানে ৮২৭টির নিচে নেমে এসেছে। একইভাবে থাডের মজুত ৪৫২টি থেকে কমে ২৭৮টির নিচে নেমেছে।
উৎপাদন বাড়াতে পেন্টাগন প্রধান প্রধান প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের চেষ্টা করলেও সেগুলো বাধ্যতামূলক নয় এবং কংগ্রেসের অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল। সংস্থাটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রকল্পের পরিচালক টম কারাকো জানান, এসব বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়াটাই মূল সমস্যা। অন্যদিকে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল স্মারকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৮ অর্থবছরের বাজেটে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে কংগ্রেসে ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় বিলটি আটকে থাকায় দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বিলম্ব ঘটতে পারে।