ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মাঠ, চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলা বাধ্যতামূলক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনতে সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে। ময়মনসিংহ অফিসার্স ক্লাবে শহরের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের টার্ফ ফুটবল মাঠ ‘দি স্পোর্টিভা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিশুদের ডিভাইস আসক্তি কমানো এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব হবে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভা বাছাইয়ের প্রথম আসর শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন চলছে এবং আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এর উদ্বোধন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করা। এছাড়া ৬৪টি জেলায় ক্রীড়া অবকাঠামো এবং প্রায় ৫০৩টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। দেশের ২২টি জেলার সুইমিং পুলকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে, যার অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের সুইমিং পুলের সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রতিবন্ধী সন্তানদের ক্রীড়াক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মধ্য থেকেও অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিকে পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে প্যারা ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পদকের জন্য লড়াই করতে সরকার কাজ করছে। অনুষ্ঠানে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক বিজয়ী খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।