রাজনীতি

ঔষধের দাম নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণ বন্ধের দাবি ছাত্র ফেডারেশনের

১২ আগস্ট ২০২৬
ঔষধের দাম নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণ বন্ধের দাবি ছাত্র ফেডারেশনের
অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের সরকারি মূল্যনিয়ন্ত্রণ বহাল রাখা এবং জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের উদ্যোগ বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনটি সতর্ক করেছে, ভুল নীতি অবলম্বনে জনগণ প্রতিরোধের পথ বেছে নেবে।

অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের সরকারি মূল্যনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বজায় রাখা এবং শক্তিশালী করার পাশাপাশি জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের উদ্যোগ থামানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে যে, সরকার যদি ভুল নীতির পথে এগিয়ে যায়, তবে জনগণকে প্রতিরোধের পথ বেছে নিতেই হবে।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান। বক্তারা মতামত ব্যক্ত করেন যে, ঔষধ মানুষের জীবনের সাথে সরাসরি জড়িত। তাই এটির দাম সম্পূর্ণ বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঔষধের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।

সংগঠনের সভাপতি সৈকত আরিফ বলেন, দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা বর্তমানে সংকটে রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক সময় বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ঔষধ রোগীদের কাছে পৌঁছায় না, ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে বাজার থেকে কিনতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঔষধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ দুর্বল হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির চিকিৎসা খরচ আরও বেড়ে যাবে।

জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা খাতটি যখন সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না, তখন তা বেসরকারি খাতে তুলে দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ, পরিবহন, কৃষি ও শিল্পখাতে। এর ফলে পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ভুল পথে হাঁটলে জনগণ নিজেরা সিদ্ধান্ত নেবে।

ছাত্র ফেডারেশনঔষধের দামজ্বালানি খাতমানববন্ধনসৈকত আরিফ