অর্থনীতি

গ্যাস-বিদ্যুৎ বিলে ৯০ দিন সময় ও ঋণের কিস্তি স্থগিতের দাবি চট্টগ্রাম চেম্বারের

৮ আগস্ট ২০২৬
জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় গ্যাস-বিদ্যুৎ বিলে ৯০ দিন সময় এবং ব্যাংকঋণের কিস্তি তিন মাস স্থগিতের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার।

গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে দেশের শিল্পখাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পমালিকদের জন্য বিশেষ সুবিধার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)। জরিমানা ছাড়া বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ৯০ দিন সময় এবং ব্যাংকঋণের কিস্তি সুদ মওকুফসহ তিন মাস স্থগিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রীর কাছে আজ শনিবার আলাদা দুটি চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে এই চিঠি পাঠান সিসিসিআইয়ের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।

চিঠিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ সমস্যার কারণে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বা অলিখিত ‘লে-অফ’ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় রপ্তানি আয়ও কমেছে, ফলে কর্মচারীদের বেতন, ব্যাংকঋণের সুদ ও অন্যান্য খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে চট্টগ্রাম চেম্বার দাবি করেছে, সাময়িক বকেয়ার কারণে কোনো কারখানার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। আগামী ছয় মাস পর্যন্ত বিল পরিশোধের নিয়ম শিথিল করে জরিমানা ছাড়া ৯০ দিন সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংকটের সময় উচ্চ সুদ বহন করলে তা শিল্পায়নের জন্য ক্ষতিকর হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভুল বার্তা যাতে না যায়, সেজন্য ব্যাংকঋণের সুদ মওকুফ এবং ঋণের কিস্তি প্রদান অন্তত তিন মাস স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার।

চট্টগ্রাম চেম্বারশিল্প সংকটগ্যাস বিলব্যাংকঋণজ্বালানি সংকট