জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই-আগস্ট মাসের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণরূপে জনগণের সংগ্রাম। জনগণ যখন পরিবর্তনের দাবিতে মাঠে নামে, তখনই এই আন্দোলন সফল হয়। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই সাফল্যের ক্রেডিট কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, বরং এটি দেশের সর্বস্তরের জনগণের।
রাজধানীর খামারবাড়িতে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত ১৭ বছরে বিএনপিসহ গণতন্ত্রপন্থী দলগুলো ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জনগণের পাশে ছিল। তিনি সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান, এখন সময় দেশ পুনর্গঠনের। ষড়যন্ত্রের চেষ্টা সনাক্ত করে ধৈর্য ধরে এগোতে হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য নির্ধারিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি প্রথম রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরে, যা পরবর্তীতে ৩১ দফায় রূপ নেয়। গত নির্বাচনে জনগণ এই দফায় ম্যান্ডেট দিয়েছে, ফলে এটি এখন পুরো দেশের দাবি। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও প্রশাসন খাতে যে ধ্বংসস্তূপ দেখা গেছে, তার কথা তুলে ধরেন।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার পেট্রোনাসের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে, যা দ্রুত এলএনজি গ্যাস আমদানি নিশ্চিত করবে। দেশীয় শক্তি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বাপেক্স পুনরুজ্জীবিত করে দুটি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।