ঢাবি ছাত্রী হলে ২৪‑ঘণ্টা খোলা দাবিতে সমাবেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন বাতিলসহ ২৪‑ঘণ্টা খোলা, বৈধ আইডি কার্ডে প্রবেশ ও নারী অভিভাবক প্রবেশের তিনটি দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশটি সোমবার বিকেলে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবরোধবাসিনী প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। প্ল্যাটফর্মের নেতারা ছাত্রী হলে প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
অব্রোধবাসিনীর পক্ষে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমু বক্তব্য রাখেন। তিনি ২০১৫ সালে বঙ্গমাতা হলে এক ছাত্রী চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করার ঘটনা তুলে ধরে সান্ধ্য আইন বাতিলের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
সমাবেশে রোকেয়া হল, রেড ফেমিনিস্ট ব্লক, নারী পক্ষ, বিপ্লবী নারী মুক্তি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোকলোর সোসাইটি, ফিল্ম সোসাইটি, সাহিত্য সোসাইটি ও স্বরধ্বনি সহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
শিরীন পারভীন হক, নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ২৫‑৩০ বছর আগে সান্ধ্য আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আজকের সমাবেশে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলা হচ্ছে।
আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়া ২০২৬ সালেও নারীদের চলাচলে বিধিনিষেধ থাকাকে হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে সংহতি জানান, ২০২৪‑এর জুলাই গণ‑অভ্যুত্থানের পরেও এই ধরনের বৈষম্যমূলক আইন রয়ে গেছে বলে লজ্জা প্রকাশ করেন।