দুই সন্তানসহ পরিবারে ‘দ্য লাস্ট হাউস’‑এ আটকে পড়ে বেঁচে থাকার লড়াই

নেটফ্লিক্সে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘দ্য লাস্ট হাউস’ নামের সায়েন্স‑ফিকশন ফিল্মে একটি পরিবারকে দেখানো হয়েছে, যাদের বাড়ি হঠাৎ করে লক হয়ে যায় এবং তারা বের হতে পারে না।
গল্পটি শুরু হয় এক বৃষ্টির দিনে, যখন আন্না ও জেসন এবং তাদের দুই সন্তান গ্রাহাম ও রুথ বুঝতে পারে যে দরজা ও জানালা খুলে বা ভাঙতে পারছে না। বৃষ্টির জল থেকে তৈরি একটি সিল তাদের বের হতে বাধা দেয়।
পরিবারটি প্যান্ট্রি থেকে খাবার সংগ্রহ করে কয়েক সপ্তাহ ধরে টিকে থাকে, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতি খারাপ হয়। প্রতিবেশীরাও একইভাবে আটকে পড়ে এবং সবাই বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করে।
একদিন এক প্রতিবেশী, যিনি দৌড়াতে বেরিয়েছিলেন, হঠাৎ করে বাড়ির জানালায় এসে চিৎকার করে ওঠেন, “সবাই মারা গেছে!” এবং “কেউ আপনাকে দেখবে না!” তিনি একটি বড় মাংস কাটার ছুরি হাতে নিয়ে হিংস্র হয়ে ওঠেন, কিন্তু ভেজা টেন্টাকল তাকে টেনে নিয়ে যায়।
পরিবারের কুকুরের ওষুধ শেষ হয়ে গেলে জেসন তাকে কষ্ট থেকে মুক্তি দেন এবং পরে তার শরীর ফ্রিজারে রাখেন। বৃষ্টি বাড়ার সাথে সাথে বড় বড় প্রাণী জানালায় আঘাত করে, ফলে পরিবারকে পর্দা টেনে রাখতে হয়।
পাঁচ বছর পরে, বাড়িটি একটি ফার্মে পরিণত হয়। সন্তানরা বড় হয়ে ভিন্ন অভিনেতা দ্বারা অভিনীত হয়। কিন্তু বাড়ির চারপাশের মাটি ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে পড়ে এবং গঠন দুর্বল হয়ে যায়।
একদিন বড় বৃষ্টিতে একটি প্রাণী জল ব্যবহার করে দরজা খুলে দেয়। পরিবারটি লুকিয়ে থাকে, কিন্তু সেই প্রাণীটির জল তৎক্ষণাৎ জমে যায়। রুথ দুর্ঘটনাক্রমে লবণাক্ত পানি চেখে দেখে যে সব উদ্ভিদ ও পানীয় জল লবণাক্ত হয়ে গেছে।
পরবর্তী ঘটনাগুলিতে পরিবারটি সিউয়ার সিস্টেম ব্যবহার করে অ্যান্টিবায়োটিক সংগ্রহের চেষ্টা করে, কিন্তু একটি দানব তাদের তাড়া করে। তারা বাড়িটিকে ‘হোম অ্যালোন’‑এর মতো ফাঁদে ফেলে এবং অবশেষে একটি প্রাণীকে মুক্ত করে, যা তাদের বনভূমিতে নিয়ে যায়।