প্রযুক্তি

নগ্নতা বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে মিনিসোটা সরকারের মুখে মাস্কের এক্সএআই

২৯ জুলাই ২০২৬
নগ্নতা বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে মিনিসোটা সরকারের মুখে মাস্কের এক্সএআই
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আপত্তিকর ছবি তৈরি বন্ধে মিনিসোটার নতুন আইনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইলোন মাস্কের প্রতিষ্ঠান এক্সএআই।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি অনাকাঙ্ক্ষিত নগ্ন ছবি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি নতুন আইনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইলোন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এক্সএআই। যুক্তরাষ্ট্রের মিনিসোটা অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। এক্সএআই-এর দাবি, আইনটির কড়া শর্তের কারণে তাদের চ্যাটবট গ্রকের ছবি সম্পাদনার ফিচার সীমিত করতে হচ্ছে, যা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে বর্ণিত বাকস্বাধীনতা হরণ করে।

মিনিসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজের সই করা এই আইনে এআইয়ের মাধ্যমে নগ্ন ছবি তৈরির সুযোগ দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে ভুক্তভোগীরা সরাসরি দেওয়ানি মামলা করতে পারবেন এবং রাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতি লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন। ১ আগস্ট থেকে আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক কয়েক দিন আগে আদালতের দ্বারস্থ হয় এক্সএআই।

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে গ্রক চ্যাটবট ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক আপত্তিকর ও ভুয়া ছবি বা ডিপফেক তৈরির অভিযোগ ওঠে, যার মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এক গবেষণায় দেখা যায়, মাত্র ১১ দিনে গ্রক প্রায় ৩০ লাখ আপত্তিকর ছবি তৈরি করেছে, যার মধ্যে ২৩ হাজারই ছিল শিশুদের। অর্থাৎ গড়ে প্রতি ৪১ সেকেন্ডে একটি করে শিশুর আপত্তিকর ছবি তৈরি হয়। এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চরম বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।

মামলার আবেদনে এক্সএআই দাবি করেছে, আইনটি অতিরিক্ত কঠোর এবং এর আওতা অনেক বেশি। সম্মতি নিয়ে তৈরি কিংবা বিনোদন ও শৈল্পিক উদ্দেশ্যে বানানো ছবিকেও এই আইনের অধীন এনে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখার পরও ব্যবহারকারীদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণের দায়ভার প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপানো অনুচিত বলে তারা যুক্তি দিয়েছে।

এক্সএআইইলোন মাস্কগ্রকডিপফেকপ্রযুক্তি আইন