পল্লবীতে গুলিতে দুজন আহত, হত্যাচেষ্টার মামলায় এখনো গ্রেপ্তার নেই

রাজধানীর পল্লবীতে চলন্ত প্রাইভেটকার থেকে ছোড়া গুলিতে আলমগীর হোসেন ও এক নারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত আলমগীরের স্ত্রী রিনা আক্তার বাদী হয়ে পল্লবী থানায় এ মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি রুবেল ও বাপ্পাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বশীর জানান, মামলাটি শুক্রবার মধ্যরাতে দায়ের হয়। হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই আসামীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হামলা চালানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পল্লবীর মিল্লাত ক্যাম্পের ২ নম্বর গলিতে আলমগীরকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে আলমগীরের মাথা ও পেটে গুলি লাগে। হামলাকারীরা পালানোর সময় ছোড়া আরেকটি গুলিতে রাস্তা পার হচ্ছিলেন জ্যোৎস্না বেগমের ডান পায়ে গুলি লাগে।
আলমগীর হোসেনকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, কাছ থেকে চালানো গুলিতে তার খাদ্যনালী ও রক্তনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি গুলি মাথা ছুঁয়ে বের হলেও দুটি গুলি মেরুদণ্ডের হাড়ে ও কিডনিতে আটকে আছে। একাধিক ব্যাগ রক্ত দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর অবস্থা চরম আশঙ্কাজনক এবং তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।
স্বজনদের ধারণা, এটি পূর্বপরিকল্পিত প্রতিশোধমূলক হামলা। ইতিপূর্বে ‘পেপার সানি’ হত্যা মামলার সময় আলমগীর হোসেন এলাকার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিলেন। পুলিশের তালিকায় পলাতক থাকা রুবেল গত চার দিন আগে ঢাকায় ফিরে আলমগীরকে অনুসরণ করছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত এ হামলায় রূপ নেয়।