জাতীয়

পাউরুটি খেয়ে মৃত্যু, তদন্তে উঠে এল ভিন্ন তথ্য; ১০৪ জনকে অব্যাহতি

২ আগস্ট ২০২৬
পাউরুটি খেয়ে মৃত্যু, তদন্তে উঠে এল ভিন্ন তথ্য; ১০৪ জনকে অব্যাহতি
বগুড়ায় রিপন ফকিরের মৃত্যু নিয়ে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় তদন্তে পাওয়া গেছে নতুন তথ্য। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাসহ ১০৪ জন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বগুড়ায় রিপন ফকিরের মৃত্যু নিয়ে দায়ের করা জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। পুলিশের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৪ জন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই ফেরদৌস আলী গত জুলাই মাসে আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেন।

মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী মাবিয়া বেগম ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এই মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বগুড়া শহরের ঝাউতলা এলাকায় মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় গুলিতে রিপন মারা যান। মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বোন শেখ রেহানা, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খানকে আসামি করা হয়।

তবে তদন্তে ভিন্ন চিত্র浮出水面। ২২ জন সাক্ষীর বক্তব্য নেওয়া হয়। এজাহারে উল্লেখিত ঝাউতলা এলাকার দোকানপাট ১ থেকে ৫ আগস্ট বন্ধ ছিল বলে তিনজন দোকানকর্মী জানান। বাদীসহ সাতজন সাক্ষী জবানবন্দিতে বলেন, রিপন ৫ আগস্ট গোদারপাড়া এলাকায় পাউরুটি খাওয়ার সময় গলায় আটকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। দোকানিও রুটি খেয়ে অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার বাদী মাবিয়া বেগম জানান, গ্রামের কয়েকজন তাকে বলেছিলেন মামলা করলে রিপনকে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং সরকারি অনুদান পাওয়া যাবে। সেই আশায় তিনি থানায় গিয়ে কাগজে স্বাক্ষর করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফেরদৌস আলী বলেন, এজাহারে তথ্যগত ত্রুটি ছিল। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

বগুড়াজুলাই হত্যাকাণ্ডতদন্ত প্রতিবেদনশেখ হাসিনামামলা