প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে ‘খাস কালেকশন’ নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন ও খালিয়াজুরী উপজেলার সীমান্তবর্তী দরুন্দা খালে শামুক উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে ‘খাস কালেকশন’-এর নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, তারা হাঁসের খাদ্য হিসেবে এই শামুক ব্যবহার করেন।
মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের বাসিন্দা ওয়ালিদ মিয়ার দাবি, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার যোগসাজশে একটি প্রভাবশালী মহল এই অর্থ আদায় করছে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩ জুলাই হাওরাঞ্চল সফরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর জলাশয় উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। দেশীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির স্বার্থে কোনো ইজারা দেওয়া হবে না বলেও তারা জানান। এর পরও টাকা আদায় চলছে বলে অভিযোগকারী জানান।
এ বিষয়ে রোববার (২ আগস্ট) সরেজমিনে তদন্তে নামেন সংবাদদাতা। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার প্রতিনিধি সৈয়দ আমিনূল হাসান (রুজেল) জানান, আগে মাছ ধরার ব্যবস্থা ছিল। তবে প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের নির্দেশে খালটি উন্মুক্ত করা হবে। তিনি চাঁদা আদায়ের অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।
মেন্দিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বিষয়টি জানেন না বলে জানান। অন্যদিকে, খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।