জাতীয়

ফরিদপুরের দুই উপজেলায় খাল খননে কোটি টাকা সাশ্রয়, সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন

২৮ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের দুই উপজেলায় খাল খননে কোটি টাকা সাশ্রয়, সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন
ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুরে খাল খনন প্রকল্প শেষে দুই ইউএনও সরকারি কোষাগারে প্রায় ১ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে স্বচ্ছতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলায় চারটি খাল পুনর্খনন প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকারি কোষাগারে প্রায় ১ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছেন। ভাঙ্গা উপজেলায় ৬৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সদরপুর উপজেলায় ৩৬ লাখ ৪০ হাজার ৬২০ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ প্রকল্পের মোট বরাদ্দ থেকে উদ্বৃত্ত অংশ।

মোট ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ২৬৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া এই প্রকল্পে সাড়ে ২২ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪ কিলোমিটার এবং সদরপুরে সাড়ে ৮ কিলোমিটার খাল খনন কাজটি প্রায় তিন মাস ধরে চলছিল। শ্রমিকদের মজুরিসহ সকল আনুষঙ্গিক খরচ মিটিয়ে অব্যয়িত অর্থ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রকল্পটি ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল তদারকি করেন। জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম কাজের গুণগত মান পরিদর্শন করেন এবং উভয়েই কাজের মানের প্রশংসা করেন। গত ১৬ মার্চ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ভাঙ্গা উপজেলায় এই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান জানান, সরকারি টাকার স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ছিল। ভুয়া বিল ভাউচারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ শাওন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে এই খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো নয়-ছয়ের সুযোগ দেওয়া হয়নি। সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই সুশাসনের ভিত্তি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ফরিদপুরখাল খননস্বচ্ছতাসরকারি তহবিলউন্নয়ন