অপরাধ

ফেনীতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে পলাতক স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

২০ আগস্ট ২০২৬
ফেনীতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে পলাতক স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ফেনীতে একরামুল হক নামের এক পলাতক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ফেনীতে পরকীয়ার বিরোধ ও যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগে একরামুল হক ওরফে চুট্টু নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে অতিরিক্ত দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০ আগস্ট, বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.এন.এম মোর্শেদ খান এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত একরামুল দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সৈয়দ আহমদের ছেলে এবং ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১১ জানুয়ারি ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর এলাকার আরজিনা আক্তারের সঙ্গে একরামুলের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে দম্পতির মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে একরামুল স্ত্রীর স্বজনদের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরজিনার ওপর নির্যাতন শুরু হয়।

নির্যাতনের এক পর্যায়ে ২০১৮ সালের ২৬ আগস্ট রাতে মারা যান আরজিনা। পরদিন ২৭ আগস্ট পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করে। এ ঘটনায় নিহতের মামা মীর হোসেন দুলাল বাদী হয়ে একরামুলকে প্রধান আসামি করে চারজনের নামে দাগনভূঞা থানায় মামলা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শাহাব উদ্দিন নিশ্চিত করেন যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর অধীনে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রায় কার্যকর করা হবে।

ফেনীমৃত্যুদণ্ডযৌতুক হত্যাআদালতের রায়