বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও যশোরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক, লোডশেডিং কমেছে

বগুড়ার ১৩টি উপজেলায় নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি ও দুটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বৃহস্পতিবার থেকে প্রায় পুরোপুরি স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইমদাদ সেলিম জানান, ১১০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পুরো ১১০ মেগাওয়াটই সরবরাহ হচ্ছে, ফলে লোডশেডিং হচ্ছে না।
বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি‑১ এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক শামিমুর রহমান বলেন, ৮৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৮৫ মেগাওয়াট সরবরাহ হয়েছে। সমিতি‑২‑এ বৃহস্পতিবার দিনে ১১৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৯৯ মেগাওয়াট পাওয়া গেছে, তবে রাত ১২টার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা সদর ও কামারখন্দ উপজেলায় লোডশেডিং কম বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন। কামারখন্দের রায়দৌলপুর ইউনিয়নে লোডশেডিং নেই বলে বাসিন্দা আব্দুল আলীম বলেন, ঢাকার তুলনায় লোডশেডিং অনেক কম।
যশোরে মনিরামপুর উপজেলার কাশিমনগরে ব্রয়লার মুরগির ছোট দোকান নুরনবী শেখের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে বিস্তারিত তথ্য অনুপস্থিত।
সামগ্রিকভাবে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও যশোরে লোডশেডিং কমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীকে স্বস্তি দিয়েছে।