রাজনীতি

মন্তব্যে ৪টি সমাধান‑প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রীকে ছয় মাসের চ্যালেঞ্জ

১৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্যে ৪টি সমাধান‑প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রীকে ছয় মাসের চ্যালেঞ্জ
হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে ছয় মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান‑প্রস্তাব দিতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চারটি বিষয় তুলে ধরেছেন।

কয়েক দিন ধরে লোডশেডিংয়ে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীতে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে সংকট সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টার কথা জানিয়েছেন। তিনি বিরোধী দলকে ‘বিভ্রান্তির’ রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে সমাধান‑প্রস্তাব দিতে বলেন।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি প্রথমে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান‑পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।’ এরপর তিনি চারটি বিষয় উল্লেখ করেন।

প্রথমে তিনি বলেন, সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে এবং এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদকে উল্লেখ করেন এবং বলেন যে তাদের মধ্যে কেউই নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়েননি।

তৃতীয়ত, তিনি বলেন যে ছয় মাসে প্রশাসনে দলীয় পদায়ন হওয়ায় ইনস্টিটিউশনাল মেমরি নেই, ফলে ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান ও ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান অনুপস্থিত।

চতুর্থত, তিনি সরকারকে দাবি করেন যে মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং এর ফলে ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে ছয় মাসের বেশি সময় লাগলে তা নীতির প্রশ্ন নয়, বরং সক্ষমতার ব্যর্থতা।’

পোস্টের শেষে তিনি বলেন, ‘সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চায় কেন দেশ ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে পড়েছে।’

লোডশেডিংমন্তব্যপ্রধানমন্ত্রীহাসনাত আবদুল্লাহবিরোধী দল