মাক্কা চুক্তি: তিন দেশের ‘একসাথে আক্রমণ হলে একসাথে প্রতিরক্ষা’

সৌদি আরবের রাজা সালমানের মসজিদে শুক্রবার তিনটি ফোল্ডার—দুটি সবুজ ও একটি লাল—সাক্ষরিত হয়।
মোহাম্মদ বিন সালমান, রেসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও শেহবাজ শারিফ তিনটি ফোল্ডার ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন।
চুক্তিটি মাক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নামে পরিচিত, যার অধীনে যেকোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা তিন দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
এই চুক্তি পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান যুক্তরাষ্ট্র‑ইসরাইল‑ইরান যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়, যা গাল্ফের তেল রপ্তানিকারকদের ওপর মিসাইল ও ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে।
পাকিস্তান‑সৌদি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প ও ন্যাটো‑মানের সামরিক সহযোগিতা যুক্ত হয়েছে।
শারিফ চুক্তিটিকে "শান্তির ঢাল" বলে অভিহিত করেন, আর এরদোগান বলেন চুক্তি কোনো দেশকে লক্ষ্য করে না এবং "শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা খোঁজার সকল ভাই দেশকে স্বাগত জানায়"।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য প্রতিপক্ষকে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা এবং সমষ্টিগত প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা, নির্দিষ্ট সামরিক বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ নয়।
চুক্তির অধীনে প্রশিক্ষণ, লজিস্টিক ও গোয়েন্দা শেয়ারিংসহ ১১টি সহযোগিতা ক্ষেত্র রয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট হুমকি উল্লেখ নেই।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে হোথি বিদ্রোহীরা সৌদি তেল অবকাঠামো ও রেড সি তে তেল ট্যাঙ্কার আক্রমণ করছে, যা সৌদির সামরিক প্রতিক্রিয়া বাড়িয়েছে।