অপরাধ

মেঘনায় কচুরিপানার মধ্যে ভেসে উঠল তিন মরদেহ, দুটি উদ্ধার

৯ আগস্ট ২০২৬
মেঘনায় কচুরিপানার মধ্যে ভেসে উঠল তিন মরদেহ, দুটি উদ্ধার
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে কচুরিপানার মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তিন মরদেহ দেখা গেলে নৌ পুলিশ দুটি উদ্ধার করেছে। নারীর হাত-পা বাঁধা থাকায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ প্রকাশ পেয়েছে।

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চর রমজানবেগ এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। রোববার দুপুর ১২টার দিকে কচুরিপানার জটলা থেকে ভাসমান অবস্থায় এই মরদেহ দুটি পাওয়া যায়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মরদেহ দুটি পাঁচ থেকে সাত দিন আগে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হতে পারে।

সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঘাস কাটতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন নদীর তীরে কচুরিপানার মধ্যে উৎকট গন্ধ ও তিনটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। তিনি বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তল্লাশির পর প্রথমে এক পুরুষের এবং প্রায় ৫০ মিটার দূর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে স্থানীয়রা যে তৃতীয় মরদেহের কথা জানিয়েছিলেন, তার সন্ধান পুলিশের হাতে পাওয়া যায়নি।

নৌ পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা নারীর হাত-পা বাঁধা ছিল, কিন্তু পুরুষের মরদেহে এমন কোনো আলামত নেই। নারীর শরীরে বাঁধনের চিহ্ন থাকায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত মরদেহ দুটি স্থানীয় কোনো ব্যক্তির বলে মনে হচ্ছে না।

নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নৌ পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন জানান, মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এতে পিবিআই ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সহায়তা করছেন। পাশাপাশি নদীতে তৃতীয় কোনো মরদেহ থাকার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা নিজামউদ্দিন বলেন, একসাথে তিন মরদেহ ভেসে ওঠা অস্বাভাবিক; হয়তো একটি স্রোতে ভেসে গেছে। তিনি দাবি করেন, তদন্ত করে বের করতে হবে মরদেহগুলো এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে নাকি অন্যত্র থেকে ভেসে এসেছে।

মেঘনা নদীমরদেহ উদ্ধারগজারিয়ানৌ পুলিশহত্যাকাণ্ডের সন্দেহ