প্রযুক্তি

র‍্যাম সংকটের মধ্যেও এপলের আয় বেড়ে ১০৯.৪ বিলিয়ন ডলার

৩০ জুলাই ২০২৬
র‍্যাম সংকটের মধ্যেও এপলের আয় বেড়ে ১০৯.৪ বিলিয়ন ডলার
গ্লোবাল র‍্যাম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এপলের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১০৯.৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আইফোন ও ম্যাকের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

গ্লোবাল মেমোরি বা র‍্যাম সংকটের মধ্যেও এপলের আইফোন ও ম্যাকের বিক্রি বাড়তে থাকছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তৃতীয় ত্রৈমাসিক আয় প্রতিবেদনে এপল জানায়, আইফোনের বিক্রি ২২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪.২৫ বিলিয়ন ডলার এবং ম্যাকের বিক্রি ২৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০.৩৫ বিলিয়ন ডলার। এর ফলে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১০৯.৪ বিলিয়ন ডলার।

কোম্পানি জানিয়েছে, আগামী মাসগুলোতে সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও চাপ বাড়তে পারে। এপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা কেভান পারেক এক আয় কলে জানান, পরবর্তী ত্রৈমাসিকে সরবরাহের সীমাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, যা আইফোন, ম্যাক এবং আইপ্যাডের ওপর প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে, এপলের সিইও টিম কুক সতর্ক করে বলেছেন, আগামী মাসগুলোতে কোম্পানিকে মেমোরির জন্য আরও বেশি খরচ করতে হবে।

জেম্বুয়ে এপল র‍্যাম সংকট মোকাবিলায় ম্যাক, আইপ্যাড এবং অন্যান্য ডিভাইসের দাম বাড়িয়েছে, যা ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। নতুন ম্যাকবুক নিওর দাম ৫৯৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৯৯ ডলার। আইফোনের দাম এখনো বাড়ানো হয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, শরত্কালে আসা আইফোন ১৮ সিরিজের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এপল সাম্প্রতিক সময়ে একটি নতুন আপগ্রেড প্রোগ্রামও ঘোষণা করেছে, যাতে নির্দিষ্ট মাসিক ভাড়াতে আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল ওয়াচ বা ম্যাক লিজ করা যাবে। এছাড়া, অ্যাপল ওয়ান ও অ্যাপল টিভি সহ সার্ভিস বিভাগ থেকে কোম্পানির আয় হয়েছে ৩০.৭৪ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে এপলের বিভিন্ন সার্ভিসে ১.৫ বিলিয়নের বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে।

এপলআইফোনর‍্যাম সংকটআয় প্রতিবেদনটিম কুক