অপরাধ

শেরপুরে যৌতুক মামলায় কনস্টেবলকে কারাগারে পাঠালেন আদালত

১৩ আগস্ট ২০২৬
শেরপুরে যৌতুক মামলায় কনস্টেবলকে কারাগারে পাঠালেন আদালত
শেরপুরে স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের মামলায় আত্মসমর্পণ করা পুলিশ কনস্টেবল মো. সোহাগ মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. সোহাগ মিয়া (২৯) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন শেরপুরের আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শেরপুর সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ মিলন এই আদেশ দেন। আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিচারকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই পুলিশ সদস্যকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোহাগ মিয়া বর্তমানে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইনসে কর্মরত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর শেরপুর সদরের সূর্য্যদী মধ্যপাড়া এলাকার সোহাগ মিয়ার সঙ্গে বয়ড়া পরাণপুর গ্রামের লাকী আক্তারের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের সময় যৌতুক দেওয়ার পরও সোহাগ মিয়া অতিরিক্ত টাকার জন্য স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত ২৪ জুন পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে লাকী আক্তারকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২৯ জুন তিনি স্বামী সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে শেরপুরের আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় আজ আদালতে হাজির হলে আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করেন।

যৌতুক মামলাপুলিশ কনস্টেবলশেরপুর আদালতকারাগার