সাপ মারতে জাপানে নেওয়া বাংলাদেশি বেজি নির্মূলে লাগল কয়েক দশক

বিষধর সাপের উপদ্রব কমাতে ১৯৭৯ সালে জাপানে নেওয়া বাংলাদেশি বেজি বিরল প্রাণী শিকার শুরু করায় তা নির্মূলে লেগেছে কয়েক দশক।
বিষধর হাবু সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচতে ১৯৭৯ সালে জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩০টি বেজি ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, সাপের বংশবৃদ্ধি রদ করা।
তবে বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। দ্বীপের বিষধর সাপ শিকারের বদলে বেজিগুলো সেখানে থাকা বিরল প্রজাতির স্থানীয় প্রাণীদের খাওয়া শুরু করে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই এদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে প্রায় ১০ হাজারে গিয়ে পৌঁছে।
পরবর্তীতে ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত হওয়া এই হাজার হাজার বেজি দ্বীপ থেকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করতে জাপান সরকারকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। কয়েক দশকের এই নির্মূল অভিযানে দেশটির কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়।